Uncategorized

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা

বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্রিকেট দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া বেশ পরিচিত। কিন্তু উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাছে অধিক জনপ্রিয় অস্ট্রেলিয়া। তাই দেশের শিক্ষার সমাপ্তি শেষে মানসম্মত উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবছর দেশের হাজারো শিক্ষার্থী পাড়ি জমায় অস্ট্রেলিয়ায়। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া উচ্চশিক্ষায় বিশ্বের তৃতীয় জনপ্রিয় দেশ। বিশ্বের শীর্ষতম কিছু বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়।

আবেদনের যোগ্যতা সমূহ –
•   একাডেমি রেজাল্ট মিনিমাম ৫৫-৬০% মার্কস থাকতে হবে।
•   আন্ডার গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য আই,এই,এল টি এস স্কোর ৬ অথবা টোয়েফল-এ ৫৫০ থাকতে হবে
•   পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, এমবিএ বা রিসার্চ প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের জন্য আই,এই,এল টি এস স্কোর ৬.৫ বা টোয়েফল স্কোর ৬০০ থাকতে হবে।

স্পন্সর –
Under graduate এর ক্ষেত্রে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা Sponsor দেখাতে হয় এবং Post graduate এর জন্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা ৬ মাস এর জন্য Sponsor দেখাতে হয়।

অস্ট্রেলিয়াতে যে যে বিষয়ে পড়তে পারবেন –
1. Engineering Management
2. Civil Engineering
3. Mechanical Engineering
4. Mechatronic Engineering
5. Computer Science and Engineering
6. Information and Communication Technology
7. Electrical and Electronic Engineering
8. Telecommunication Engineering
9. Medical Science
10. Human Resources Management
11. Public Health
12. Social Science
13. Agriculture Science
14. Creative Arts and Design
15. Accounting & Finance
16. BBA ও MBA
17. Project Management
18. Supply Chain Management
19. Healthcare Administrator
20. Data Analyst

অস্ট্রেলিয়াতে টিউশন ফি –

এটা আসলে নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান, কোর্সের বিষয় ও মেয়াদের ওপরে। যেমন কোনো শিক্ষার্থী যদি অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনার্স পড়তে চায় তাহলে প্রতি ছয় মাসের সেমিস্টারে তাঁকে দিতে হবে ১৬ হাজার থেকে ২২ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলারের মতো। মধ্যম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই খরচটা আসে মোটামুটি ১২ থেকে ১৬ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার।
এছাড়াও রয়েছে প্রচুর শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ। সরকারি বৃত্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল পোস্ট গ্রাজুয়েট স্কলারশিপ, অস্ট্রেলিয়া এপিইসি ওম্যান ইন রিসার্চ ফেলোশিপ, এনডেভর পোস্টগ্রাজুয়েট স্কলারশিপসহ আরও অনেক কিছু।

অস্ট্রেলিয়াতে থাকা খাওয়ার খরচ –

অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যাপারে সহায়তা দিয়ে থাকে। আপনি ইচ্ছা করলে ক্যাম্পাসের ভেতরে কিংবা বাইরে থাকতে পারেন। এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাস রয়েছে। আবাসন ও ব্যক্তিগত খরচ বাবদ বছরে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। আর এই সব কিছুই ডিপেন্ড করে আপনি কিভাবে লাইফ লিড করছেন তার উপর।

অস্ট্রেলিয়াতে পার্টটাইম জব –

সপ্তাহে ২০-২২ ঘণ্টা আর ছুটির সময় ফুল টাইম কাজ করা যাবে। এখানে একজন শিক্ষার্থী কাজ করে পড়াশোনার খরচ বহন করতে পারে।

ভিসা প্রসেসিংর সময় –
স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেস হতে দেড় বা দুই মাসের মত সময় লাগতে পারে।

স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ –

যারা অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার জন্য যায় তাদের অধিকাংশ পড়া শেষে, সেখানে চাকরি নিয়ে স্থায়ীভাবে থেকে যেতে চান। অস্ট্রেলিয়ায় পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট (পিআর) পাওয়া অন্যান্য দেশের তুলনায় সহজ। এটাকেও অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে ধরা যেতে পারে।

আরও বিস্তারিত তথ্য এবং ভর্তি সম্পর্কিত সেবার জন্য জন্য যোগাযোগ করতে পারেন

🏠Address:
Admission.ac (a concern of Daffodil Family)
102/1 Sukrabad, Mirpur Road, Dhanmondi,
Dhaka-1207, Bangladesh.
📧: info@admission.ac
☎️: 01847334731

About Shouvik Roy Snigdha

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *